হাওজা নিউজ এজেন্সি রিপোর্ট অনুযায়ী, ইরানের রাজনৈতিক ব্যবস্থা বেলায়াতে ফকিহ নীতির ওপর প্রতিষ্ঠিত। দেশটির দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী, এটি শুধু একটি শাসনব্যবস্থা নয়; বরং জনগণ ও নেতৃত্বের মধ্যে হৃদয়গত ও আদর্শিক বন্ধনের প্রতিফলন।
এই অবস্থানকে কেবল প্রশাসনিক কাঠামোর অংশ হিসেবে নয়, বরং রাজনৈতিক অস্থিরতা ও বহিরাগত হুমকির মুখে দেশের স্থিতিশীলতার প্রধান ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ ব্যবস্থার প্রতি জনগণের অঙ্গীকার ও সংহতিকে এমন এক বাস্তবতা হিসেবে উপস্থাপন করা হয়, যা কোনো চাপ, নিষেধাজ্ঞা বা ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে বিচ্ছিন্ন করা সম্ভব হয়নি।
কারণ, এই সংহতির শিকড় দেশটির ভাষ্য অনুযায়ী গভীর ধর্মীয় বিশ্বাসে নিহিত, যা ইরানিদের পরিচয় ও জাতীয় চেতনার সঙ্গে একীভূত হয়ে দেশের স্বাধীনতা ও মর্যাদা রক্ষার জাতীয় সংকল্পকে শক্তিশালী করে।
দেশটির ভাষ্য অনুযায়ী, যতদিন সমাজে এই সচেতন আনুগত্য ও দৃঢ় বিশ্বাস বজায় থাকবে, ততদিন ইরান এবং বিশ্বের সব নিপীড়িত ও বঞ্চিত মানুষের মধ্যে ন্যায়বিচার ও স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার আশা জীবিত থাকবে। এই স্থিতিশীলতাকে তথাকথিত ‘অহংকারী শক্তি’ এবং মানবতার শত্রুদের উচ্চাকাঙ্ক্ষার বিরুদ্ধে এক দুর্ভেদ্য বাধা হিসেবে বর্ণনা করা হয়।
প্রতিরোধের এই ধারণায়, সম্মিলিত বিশ্বাস ও আশাকেই এমন একটি শক্তি হিসেবে তুলে ধরা হয়, যা বিরোধীদের পরিকল্পনাকে বারবার ব্যর্থ করে দেয় এবং স্বাধীনচেতা জাতিগুলোকে নতজানু করার প্রচেষ্টাকে প্রতিহত করে। একই সঙ্গে এই বর্ণনায় ইরানকে বিশ্বজুড়ে ন্যায়ভিত্তিক আন্দোলনগুলোর জন্য অনুপ্রেরণার কেন্দ্র হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
আপনার কমেন্ট